ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায়
| |

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায়

বিয়ের আগে প্রতিটা ছেলে দুশ্চিন্তায় থাকে তার স্ত্রী ভার্জিল কিনা। কারণ বর্তমান সময়ে প্রতিটি মেয়েই প্রেম করে থাকে। অনেকে বিয়ের আগে ভার্জিনিটি হারিয়ে ফেলে। এসব কারণে ছেলেরা অনেক দ্বিধায় থাকে। আজ ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

ভার্জিন মেয়ে চেনার কিছু সাধারণ উপায় রয়েছে। যার মাধ্যমে খুব সহজে কোন মেয়ে ভার্জিন সেটা বোঝা যায়। তবে কিছু কিছু সময় ধারণাটি ভুল হতে পারে। বিশেষ করে মেয়েদের স্তন এবং যোনী বোঝা যায় মেয়েটির ভার্জিন কিনা।

তবে অনেক সময় তখন দেখে বোঝা যায় না। কারণ অনেক মেয়ের বংশগতভাবে স্তন বড় হয়ে যায়। ভাজাইনা বা যোনী দেখে মেয়েদের ভার্জিনিটি চেক করা যায়। প্রথমবার সহবাস করলে যোনিপথে রক্ত বের হয়। তবে অনেক সময় প্রথমবার সেক্স করলে রক্ত বের না হতে পারে। এর অনেক কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেই, ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় সম্পর্কে।

ভার্জিন মানে কি?

ভার্জিন শব্দের অর্থ হলো কুমারী বা কুমার। কুমারীত্ব বলতে বোঝানো হয় যে নারী বা পুরুষ কোনদিন কারো সাথে যৌন মিলন করেনি। যেই মেয়ে কখনো কোন ছেলের সাথে দৈহিক মেলামেশা করেনি সেই মেয়েকে ভার্জিন বলা হয়।

আরও পড়ুনঃ কিভাবে স্মার্ট হওয়া যায় বা হ্যান্ডসাম হওয়ার উপায়

 

মেয়েদের যোনিপথের একটি পর্দা থাকে যা প্রথম মেলামেশা করলে নষ্ট হয়ে যায়। এবং যোনিপথে রক্ত বের হয়। যেই মেয়ের যোনিপথের পর্দা থাকে সেই মেয়েকে ভার্জিন বলা হয়।

ভার্জিন মেয়ে মানে কি?

ভার্জিন মেয়ে মানে যেই মেয়ে কুমারী বা সতী। যে মেয়ে বিয়ের আগে কারো সাথে শারীরিক কোনো সম্পর্ক করেনি তাকে ভার্জিন বা কুমারী বলা হয়। প্রতিটি মেয়েদের ও জীবনে পথে পাতলা এর ধরনের পর্দা থাকে। যা সতীত্ব পর্দা নামে পরিচিত। প্রতিটা ছেলের স্বপ্ন থাকে তার স্ত্রী যেন ভার্জিন হয়।

কিন্তু বর্তমান সময়ে মেয়েরা বিয়ের আগে ভার্জিনিটি নষ্ট করছে। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আবার অনেকের অনিচ্ছাকৃতভাবেই ভার্জিনিটি নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে ভার্জিনিটি নষ্ট হয় শারীরিক মেলামেশা করলে। অনেক সময় পড়ে গেলে বা সাইকেল চালাতে গিয়ে যৌনি পর্দা ফেটে যায়। এই ভাবেই অনেকে ভার্জিনিটি হারায়।

ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায়

প্রতিটা ছেলের জীবনে স্বপ্ন থাকে তার স্ত্রী যেন ভার্জিন হয়। এই কারণে অনেকে জানতে চাই, ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় কি সে সম্পর্কে। বর্তমান যুগে এসেও মেয়েদের সতিত্ব নিয়ে ছেলেদের বেশ কৌতূহল। তবে এই বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক না। কারণ, ভার্জিন মেয়ে চেনার কিছু উপায় রয়েছে।

তবে কোন কোন মেয়ের ক্ষেত্রে এসব সম্পন্ন ভুল প্রমাণ হয়। চলুন জেনে নেই কিভাবে ভার্জিন মেয়ে চিনতে পারবে। ভার্জিন বা কুমারী মেয়ে বলতে আমরা বলছি যেই মেয়ে কোন  ছেলের সাথে  কখনো  শারীরিক মেলামেশা করেনি তাদেরকে। সাধারণত মেয়েদের যোনিতে একটি পর্দা থাকে যাকে হাইমেন বলা হয়।

যা সাধারণ বাংলায় সতিচ্ছেদ পর্দা বলা হয়। এই পর্দা প্রথমবার মেলামেশা করলে ছিড়ে যায়। এটা শুধু মেলামেশা করলে ছিড়ে যায় না এর আরো বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেসব মেয়েরা ছেলেদের মত খেলাধুলা করে দৌড়ঝাঁপ করে তাদের খেলাধুলার সময়ও সতিচ্ছেদ পর্দা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তবে সাধারণ কিছু উপায়ে আপনি মেয়ের ভার্জিনিটি চেক করতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে ঘরে আলো জ্বলে সহবাস করতে হবে। সহবাসের সময় আপনার  স্ত্রী যৌনাঙ্গের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি যৌনি বাহিরের দিকে ঝুলে থাকে তাহলে বুঝবে এর আগেও মেলামেশা করেছে।

প্রথমবার প্রবেশ করানোর সময় যদি ব্যথা অনুবাদ না করে। এবং স্তন নরম থাকে তাহলে বুঝবে এর আগেও মেলামেশা করেছে। বর্তমানে এসব দিয়ে মেয়ে ভার্জিন কিনা সেটা বোঝা যায় না। কারণ বর্তমান সময় মেয়েরা হস্তমৈথুন করে থাকে। যার ফলে সবকিছু বিবাহিত মেয়েদের মত হয়ে থাকে।

ভার্জিন মেয়ে চেনার কৌশল

বর্তমান সময়ের মেয়েরা অনেক আধুনিক হয়েছে। যার ফলে কম বয়সেই প্রেম করছে। এবং কিছুদিনের মধ্যে ভার্জিনিটি হারাচ্ছে। এসব কারণে ছেলেরা বিভিন্ন চিন্তায় থাকে। বিশেষ করে যাকে বিয়ে করছে সে ভার্জিন কিনা। এটা ছেলের মধ্যে এই দ্বিধা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ হরমোন বলতে কী বোঝায়? হরমোনের সমস্যা বোঝার উপায়

 

তবে কিছু কিছু উপায় মেয়েদের ভার্জিনিটি চেক করা যায়। চলুন জেনে নেই, ভার্জিন মেয়ের চেনার কৌশল কি কি?

  1. স্তন ছোট থাকবে।
  2. স্তন শক্ত হয়ে থাকবে।
  3. যৌনাঙ্গে একটি পর্দা থাকবেঅ
  4. যৌনি পথে প্রথমবার লিঙ্গ প্রবেশ করালে রক্ত বের হবে।
  5. প্রথমবার লিঙ্গ সঞ্চালন করলে অনেক ব্যথা অনুভব করবে।

সাধারণ উপরে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে এর মাধ্যমে ভার্জিন মেয়ে চেনা যায়। তবে কিছু কিছু মেয়েদের ক্ষেত্রে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ হয়। ৭০ শতাংশ মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি সঠিক প্রমাণ হয়।

বর্তমান সময়ে মেয়েরা হস্তমৈথুন করে যার ফলে ছেলেদের সাথে মেলামেশা না করেও যৌনাঙ্গের পর্দা ছিড়ে ফেলে। এ কারণে, এসব বিষয় নিয়ে ভাবা থেকে বিরত থাকা ভালো।

অসতী নারী চেনার উপায়

বর্তমান সময়ে এসে প্রতিটা ছেলে মেয়ে অবৈধ সম্পর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে বিয়ের আগেই শারীরিক মেলামেশা করছে। তবে সব ছেলে মেয়েরা এসব কাজ করে না। কিছু কিছু ছেলে ভালো রয়েছে। তারা বিয়ের আগে ভার্জিন মেয়ে খোঁজে।

অনেকে আবার, অসতী নারী চেনার উপায় সম্পর্কে জানতে চাই। অসতি বলতে বোঝানো হয় যে নারী বিয়ের আগে অন্য ছেলের সাথে মেলামেশা করে অথবা বিয়ের পর স্বামীকে রেখে অন্য ছেলের সাথে মেলামেশা করে তাদেরকে অসতী বলা হয়।

অসতী নারী চেনা যায় তার আচার আচরণ। অসতী নারী বলতে বোঝানো হয় যাদের চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে। এসব মেয়েরা যে ছেলেকে দেখে তাদেরকেই ভালো লাগে। তাদের লজ্জা কম হয়। বিয়ের আগে যারা সতীর্থ হারায় তাদের শারীরিক গঠন দেখে বোঝা যায়।

তাদের স্তন ও অনেক বড় হয়ে থাকে। এবং চলাফেরা বিবাহিত মেয়েদের মত হয়। তবে কিছু কিছু সময় এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়।

ভার্জিনিটি কিভাবে নষ্ট হয়

মেয়েদের সবচেয়ে বড় অহংকার হচ্ছে ভার্জিনিটি রক্ষা করা। প্রতিটা মেয়ের স্বপ্ন থাকে তার স্বামীর সাথে প্রথম মেলামেশা করা। প্রতিটি ছেলের স্বপ্ন থাকে ভার্জিন মেয়েকে বিয়ে করার। তবে মেয়েদের  ভার্মিনিটি বিভিন্ন কারণে বিয়ের আগে নষ্ট হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ বয়ঃসন্ধিকাল কি, কেন এবং বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য

 

ভার্জিনিটি কিভাবে নষ্ট হয় সেটা জানার আগে জানতে হবে ভার্জিনিটি কি। ভার্জিনিটি হচ্ছে মেয়েদের যোনিপথের পর্দা। যে মেয়ের এই কথা থাকেনা তাকে অসতী বলা হয়। ভার্জিনিটি কিভাবে নষ্ট হয় চলুন জেনে নেই:

  1. দৌড়াদৌড়ি করলে।
  2. সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালালে।
  3. পা পিছলে কোথাও পড়ে গেলে।
  4. মাসিকের সময় ভুল পদ্ধতিতে প্যাড ব্যবহার করলে।
  5. ছেলেদের সাথে দৈহিক মেলামেশা করলে।
  6. হস্তমৈথুন করলে।
সাধারণত এসব কারণে মেয়েরা ভার্জিনিটি হারায়। ছাড়া অন্য কোন কারণ থাকতে পারে। বেশিরভাগ সময় ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে ভার্জিনিটি হারায়।

ভার্জিনিটি ফিরে পাওয়ার উপায়

অনেকেই জানতে চাই, ভার্জিনিটি ফিরে পাওয়ার উপায় সম্পর্কে। কোন মেয়ে যদি একবার ভার্জিনিটি বা কুমারীত্ব হারায় তাহলে তার পক্ষে আর ভার্জিনিটি ফিরে পাওয়া সম্ভব না। কারণ ভার্জিনিটি হচ্ছে যৌনি পাথের পর্দা। অনেকেই মনে করে বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে ভার্জিনিটি ফিরে আনা সম্ভব।

ভার্জিনিটি ফিরে আনতে না পারলেও যৌনি টাইট করা যায়। এই কাজটি করা যায় বিভিন্ন ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে। বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ মেয়েরা এই সমস্যায় ভুগছেন। এর একমাত্র উপায় হচ্ছে ক্রিম ব্যবহার করে জায়গা সংকোচন করা।

শেষ কথা: ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় 

সকল কিছু আধুনিক হচ্ছে। এর সাথে সাথে আমাদের চলাফলের মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সকলেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে। বিয়ের আগেই ভারজিনিটি হারাচ্ছে। এসব কারণেই ছেলেরা বিয়ের আগে বিভিন্ন দুশ্চিন্তায় থাকে।

তার স্ত্রী ভার্জিন কিনা সেটা নিয়ে। কিছু টিপস ফলো করলে ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় জানা যায়। উপরে সেই সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। যারা এই সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন উপরের নির্দেশনা গুলো ফলো করলে সমাধান পাবেন।

তবে অনেক মেয়ে রয়েছে যাদের ভার্জিনিটি হারিয়েছে কিন্তু তারা কারো সাথে কখনো মেলামেশা করেনি। তাই এসব দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিয়ের পর সব সময় স্ত্রীকে আগলে রাখতে হবে। অতীতকে ভুলে গিয়ে বর্তমানে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে।

আপনার কাছে আসার পর যদি ভালো থাকে সেটাই উত্তম। লেখার মধ্যে কোন ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন। সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

শেয়ার করুন

Similar Posts