আইসক্রিমের উপাদান ও প্রস্তুত প্রণালী

আইসক্রিমের উপাদান ও প্রস্তুত প্রণালী

আইসক্রিমের উপাদান ও প্রস্তুত প্রণালী

নিম্নে আইসক্রিমের উপাদান সমূহ এবং প্রস্তুত প্রণালী আলোচনা করা হল:

আইসক্রিমের উপাদান:

 উপাদান                             পরিমাণ

১. গুঁড়া দুধ, ফুলক্রীম                     ১কাপ ১ টে. চা.
২. এ্যারারুট                                 ১ টে. চা.
৩. পানি                                     ৩ কাপ
৪. লাল রং                                  ২-৩ফোঁটা
৫. ডিম                                     ২টি
৬. লিকুইড গ্লুকোজ                     ১ টে. চা.
৭. চিনি                                      ১কাপ
৮. স্ট্রবেরী এসেন্স                         ১/৪ চা. চা.
আইসক্রিমের উপাদান ও প্রস্তুত প্রণালী
গরমের দিনে আইসক্রিম খেতে অনেক মজা লাগে।
প্রস্তুত প্রণালী:
১. তিনকাপ পানি দিয়ে দুধ গুলে জ্বাল দাও। গুঁড়া দুধের পরিবর্তে টাটকা ৪ কাপ দুধ ঘন করে ৩ কাপ নেয়া যায়।
২. ডিম ও চিনি একসঙ্গে ফেট। অল্প ঠাণ্ডা দুধে এ্যারারুট গুল। ডিমের সঙ্গে গুলানাে এ্যারারুট দিয়ে ভালভাবে মিশাও। দুধ দু’তিনবারে দিয়ে মিশাও। লাল রং দাও। রং হালকা গােলাপী হবে।
৩. চুলায় দিয়ে মৃদু আঁচে নাড়তে থাক। কাস্টার্ড ফুটে ঘন হলে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে লিকুইড গ্রুকাজ দিয়ে মিশাও।
৪. কাস্টার্ড পানিতে রেখে নেড়ে ঠাণ্ডা কর। ঠাণ্ডা হলে এসেন্স দাও ও চামচ দিয়ে ২-৩ মিনিট ফেট। কাস্টার্ড রেফ্রিজারেটরে বরফের মধ্যে ঢেকে রাখ।
৫. দু’ঘন্টা পরে ফ্রিজ থেকে বের করে বিটার বা চামচ দিয়ে ফেট। আবার ঢাকনা দেয়া পাত্রে ৪-৫ ঘন্টা রাখ। আইসক্রিম জমে গেলে পরিবেশন কর।
৬. লাল রং ও স্ট্রবেরী এসেন্সের পরিবর্তে ভেনিলা এসেন্স ও লেমন ইয়েলাে রং দিতে পার।
চকলেট আইসক্রিম: স্ট্রবেরী আইসক্রিমের রেসিপিতে রং ও এসেন্স বাদ দিয়ে দুধের সংগে ২ টে চামচ কোকো গুলে জ্বাল দেবে এবং একই প্রণালীতে চকলেট আইসক্রিম তৈরি করবে।
শেয়ার করুন

Similar Posts

  • বারি সীম ৮ চাষাবাদ কৌশল

    আমরা অনেকেই আছি যারা কিনা কৃষি কাজ গুলোকে অনেক বেশি পছন্দ করি এবং কৃষিকাজের উপর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছি। তাই কৃষি কাজে আগ্রহী ভাই বোনদের জন্য আজকে আমরা বারি সীম চাষাবাদের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো এই পোস্টের মাধ্যমে। যেকোন বিষয়ে আপনাকে কাজ করতে হলে সেই বিষয় সম্পর্কে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে। তেমনি বারি…

    শেয়ার করুন
  • ছোলার উপকারিতা ও পুষ্টিগুন

    ছোলার উপকারিতা ও পুষ্টিগুন ছোলার উপকারিতা ও পুষ্টিগুন: ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। ছোলা বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে অতি পরিচিত একটি উপাদান। নিম্নে কাঁচা ছোলা এবং রান্না করা ছোলার উপকারীতা আলোচনা করা হল: হজমে সহায়ক: হজমক্রিয়া সহজ করার জন্য আবশ্যক একটি উপাদান হল ভোজ্য আঁশ। আর…

    শেয়ার করুন
  • বিভিন্ন প্রকার ভর্তা তৈরি শিখুন

    ১. পটলের খােসার ভর্তা: উপকরণ: পটলের খােসা                                      ১ কাপ চিংড়ি মাছ                                          ৪ টি পেঁয়াজ       …

    শেয়ার করুন
  • শীতকালীন শাক সবজির উপকারীতা

    শীতকালীন শাক-সবজির উপকারীতা খাদ্যের উপাদানের মধ্যে ভিটামিন ও মিনারেলসের অন্যতম উৎস হল শাক-সবজি ও ফলমূল। মূলত ভিটামিন ও মিনারেলস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে এবং আমাদের শরীরকে খাদ্যের শর্করা, আমিষ ও চর্বির ব্যবহারে সাহায্য করে। ছয় ঋতুর দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। শীতকাল মানেই এক অন্য অনুভূতি। বছরের প্রায় সবসময় কমবেশি শাক-সবজি ও ফলমূল…

    শেয়ার করুন
  • শীতের সবজি নিরামিষ

    শীতের সবজি নিরামিষ শীতকাল মানেই বিভিন্ন ধরণের রঙিন তাজা শাক-সব্জির সমাহার। যা আমাদের দৃষ্টিকে করে মুদ্ধ। মনকে করে আনন্দিত। শরীরকে করে সজীব, সুস্থ ও রোগব্যাধি মুক্ত। চলুন জেনে নেয়া যাক শীতের সবজি নিরামিষ তৈরি করতে কি কি উপকরণ লাগে এবং প্রস্তুত প্রণালী: উপকরণ: বাঁধাকপি, মােটাকুচি                     …

    শেয়ার করুন
  • আমলকি খাওয়ার নিয়ম

    আমলকি খাওয়ার নিয়ম: আমলকি অনেক গুনাগুন সম্পূর্ণ একটি ফল। এই ফলটি আকারে ছোট হলেও এর উপকারিতা অনেক। আমলকি খাওয়ার নিয়ম? আমলকির উপকারিতা ও অপকারিতা আজ আমরা জানবো। প্রতিটা ফলের উপকারিতা রয়েছে। তবে আমলকি ভিটামিন সি এর একটি বড় উৎস। প্রতিদিন একটি করে আমলকি খেলে ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরর্ণ হয়। এছাড়াও চুলের যত্নে আমলকির ব্যবহার হয়ে থাকে।…

    শেয়ার করুন