কোরবানির ভাগের নিয়ম কোরবানির নিয়ম কানুন
|

কোরবানির ভাগের নিয়ম কোরবানির নিয়ম কানুন

আজকের আলোচ্য বিষয়বস্তুঃ

কোরবানি শব্দের অর্থ ত্যাগ। কোরআন সম্পর্কে আমরা কম বেশি সকলেই জানি। কুরবানীর শুরু হয়েছে হযরত ইব্রাহিম আলাই সালাম ও হযরত ইসমাইল আঃ সালামের ঐতিহাসিক ঘটনা থেকে। তারপর থেকেই কুরবানীর শুরু হয়। তবে কোরবানি নিয়ে অনেকের মধ্যে অনেক মতবাদ রয়েছে।

কোরবানির ভাগের নিয়ম কোরবানির নিয়ম কানুন। কুরবানী সম্পর্কে আমরা জানলেও কুরবানির ভাগের নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই জানিনা। কুরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নিকটে পৌঁছানো যায়। এই কারণে কোরবানির নিয়ম-কানুন সঠিক থাকতে হবে। এবং মাংস সঠিকভাবে বর্ণন করতে হবে।

তাহলে সঠিক হবে কুরবানী হবে।। নিম্নে কোরবানির ভাগের নিয়ম কোরবানির নিয়ম কানুন সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

কোরবানীর ইতিহাস । কোরবানির ভাগের নিয়ম 

কুরবানী বহুদিন আগে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে। সর্বপ্রথম হযরত আদম আলাই সাল্লাম এর দুই সন্তান কুরবানীর করেন। হাবিব ও কাবিল দুজনে কোরবানি করেন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। পবিত্র কুরআন মাজীদে মহান আল্লাহতালা উল্লেখ করেছেন:
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ابْنَيْ آدَمَ بِالْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنَ الْآخَرِ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ

অর্থ: আর তুমি তাদের নিকট আদমের দুই পুত্রের খবর যথার্থভাবে বিশ্লেষণ কর, যখন তারা দুইজনে কোরবানি পেশ করল। অথবা তাদের একজন থেকে গ্রহণ করা হলো, আর অপরজনের থেকে হলো না। সে বলল, ‘আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব’। অন্যজন বলল, ‘মহান আল্লাহ কেবল মুক্তাদির থেকে গ্রহণ করেন’।
এরপর হযরত ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম ও হযরত ইসমাইল আলাই সাল্লাম এর মাধ্যমে কোরবানি চালু হয়। এক রাতে স্বপ্নে মহান আল্লাহ ইব্রাহিমকে বলে তুমি তোমার প্রিয় বস্তুকে কুরবানী করো। সেই সময় তার প্রিয় বস্তু ছিল একমাত্র পুত্র হযরত ইসমাইল আলাই সাল্লাম।

আরও পড়ুনঃ ঈদ অর্থ কি? ঈদের দিনের সুন্নত কাজ গুলো কি কি?

আল্লাহর আদেশ পূরণ করতে হযরত ইব্রাহিম আলাই সাল্লাম তার পুত্র ইব্রাহিমকে কোরবানির জন্য প্রস্তুত হলেন। আল্লাহ তায়ালা ইব্রাহিম আলাই সালাম এর তাকওয়া দিকে তাকে থামতে বলল। এবং সেখানে বেহস্ত থেকে একটি ডুম্বা এনে দিল। তখন থেকেই কুরবানীর প্রচলন শুরু হয়। বর্তমান সময় পর্যন্ত এই বিধান আমাদের মধ্যে রয়েছে।

কোরবানী শব্দের অর্থ কি? । কোরবানির ভাগের নিয়ম

কোরবানী আরবি শব্দ থেকে উদ্ধিত। কোরবানি শব্দের অর্থ আত্মসমর্পণ, ত্যাগ নৈকট্য লাভ। কোরবানি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্ট ও নৈকট্য লাভের আশায় করতে হয়। কুরবানীর নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময় করতে হয়। জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদের সালাত আদায়ের পর কুরবানী করতে হয়।

কোরবানির বিধান কি?

কুরবানী শব্দের অর্থ হলো নৈকট্য অর্জন করা বা কাছে যাওয়া। কুরবানী জিলহজ মাসের ১০ তারিখ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কুরবানী দেওয়া যায়। মুসলমানদের উপর কুরবানী ওয়াজিব। যদি কোন ব্যক্তির নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তাহলে থাকে কুরবানী দিতে হবে।

হিসাব পরিবর্তন সম্পদ বলতে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা। এই পরিমাণ সম্পদ থাকলে তাকে কোরবানি দিতে হবে।

এছাড়াও যদি আপনি সচ্ছল হন এবং কোরবানি দেওয়ার মতো ক্ষমতা থাকে তাহলে কোরবানি দিতে হবে। কোরবানি দিতে হয় চার-পা বিশিষ্ট পশু। যেমন গরু, ছাগল, মহিষ, উট, দুম্বা ইত্যাদি।

কোরবানির আইন কি? । কোরবানির ভাগের নিয়ম

কোরবানির আইন বা বিধান একই। যদি কোন ব্যক্তি কুরবানী দেওয়ার সামর্থ্য থাকে তাহলে তাকে কোরবানি দিতে হবে। কোরবানি দেওয়ার কিছু নিয়ম রয়েছে। যেসব পশু ছোট সেগুলো একা দিতে হয়। যেমন: ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। এছাড়াও গরু, মহিষ, উট একা কোরবানি দেওয়া সবচেয়ে ভালো।

তবে যদি কারো সমর্থ্য না করায় তাহলে কয়েক জনে মিলে দিতে পারেন। তবে সবার মত এক হতে হবে তাহলে কোরবানি সঠিক হবে।

কোরবানির গুরুত্ব । কোরবানির ভাগের নিয়ম

কোরবানির ঈদের দিনে কুরবানী করা আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দের। কারণ কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। হাদিস উল্লেখ, কোরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই আল্লাহর দরবারে কোরবানি কবুল হয়ে যায়।

মহানবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, কুরবানীর পশুর যতগুলো পশম রয়েছে, প্রতি পশম এর বিনিময়ে ৩৩ টি পণ্য পাওয়া যায়। হযরতর আয়েশা রাঃ বর্ণিত এক হাদিস থেকে জানা যায় নবী করীম (সা.) বলেন, কোরবানির দিনে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে প্রিয় কোন আমল আল্লাহর কাছে নেই।

কিয়ামতের দিন কোরবানির পশুর লোম, শিং, পশম ও চামড়া আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবেন। এবং কুরবানী দাতার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবেন। এই জন্য কোরবানির গুরুত্ব অনেক।

কোরবানির ভাগের নিয়ম:

সবচেয়ে উত্তম নিজে নিজে কুরবানী করা। কিন্তু অনেকের সামর্থ্য থাকে না যার কারণে ভাগে কোরবানি করে থাকে। কোরবানির ভাগের নিয়ম রয়েছে। নিয়ম ব্যতীত কোরবানি করলে সেই কুরবানী আল্লাহর কাছে পৌঁছাবে না। যদি ছোট প্রাণী যেমন, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা হয় তাহলে একা একা দিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ বর্তমানে কত টাকা থাকলে যাকাত ফরজ হয়

আর যদি উট, গরু, মহিষ কোরবানি করেন তাহলে সর্বোচ্চ সাতজনে দিতে পারবেন। সাত জনের কমিও দিতে পারবেন। সাত জনের বেশি মিলে দেওয়া যাবে না।

কোরবানি কত জনে দেওয়া যায়:

কুরবানীর সময় আসলে আমরা অনেক দ্বিধাদ্বন্দে পড়ি। কারণ অনেকে অনেক ধরনের কথা বলে থাকে। কোরবানি কত জনে দিতে হবে এবং কিভাবে দিতে হবে। কুরবানী একা করা উত্তম। একা একা কোরবানি করলে সেই কোরবানির মধ্যে কোন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এই কারণে একা কোরবানি দেওয়া উচিত।
তবে অনেকের একা কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য থাকে না। যার কারণে কয়েকজন মিলে কোরবানি দেয়। যদি কোন বড় পশু হয় যেমন, গরু, মহিষ ও উট তাহলে সাতজনে মিলে কোরবানি দিতে পারবেন। তবে সাত জনের বেশি হওয়া যাবে না। কোরবানির ভাগের নিয়ম

দুইজনে, তিনজনে, চারজনে, পাঁচজনে, ছয়জনে এইভাবে কোরবানি দিতে পারবেন। তবে সাতজনে কোরবানি দোয়া তেমন স্পষ্ট হাদিস নেই। এই কারণে একা একা কুরবানী দেওয়া উত্তম।

কোরবানির নিয়ত কানুন । কোরবানির ভাগের নিয়ম

কোরবানির নিয়ম কানুন রয়েছে। শুধু কোরবানি দিলেই কোরবানি আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। বাংলাদেশের প্রায় মানুষ অংশীদারীদের সাথে কোরবানি দিয়ে থাকে। এই কোরবানি কবুলের সম্ভাবনা খুব কম থাকে। কারণ যদি সাতজনে মিলে কোরবানি দেওয়া হয় তাহলে সাতজনের টাকায় হালাল হতে হবে।
হালাল টাকা ছাড়া কুরবানী করলে সেই কুরবানী আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। এছাড়াও কোরবানির পশু ক্রয় করার সময় সকলের মতামত ঠিক থাকতে হবে। তাছাড়া কেউ যদি মন থেকে অমর থাকে তাহলে কোরবানি হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। এই কারণে যদি সামর্থ্য খোলায় তাহলে নিজে নিজে কোরবানি দিবেন। ছোট হলেও সমস্যা নেই।

কোন পশু কুরবানী জায়েজ:

গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা এর কয়টি প্রাণী কোরবানির জন্য জায়েজ। এগুলো কুরবানী করা সুন্নত। শরীয়ত মতে, কুরবানির পশু হতে হবে সবল, বেশি গোস্ত, নিখুঁত এবং দেখতে সুন্দর। যদি কানকাটা, সিং ভাঙ্গা বা খোঁড়া হয় তাহলে সেসব পশু কোরবানি করা জায়েজ না। কারণ কোরবানি আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য। এই কারণে কোরবানি পশু নিখুঁত হতে হবে।

ভাগে কুরবানীর হাদিস । কোরবানির ভাগের নিয়ম

বর্তমান সময়ে ভাগে কোরবানির হাদিস নিয়ে অনেক মতবাদ রয়েছে। অনেকেই মনে করে ভাগে কুরবানী করলে কুরবানী হবে না। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। হাদিসে উল্লেখ রয়েছে গরু, মহিষ ও উট সাতজন মিলে কুরবানী করা যাবে। সাতজনে মিলে কোরবানি করলে কোন ধরনের সমস্যা হবে না।
ভাগে কোরবানি করলে কিছু সমস্যা থাকে। যেমন মতের মিল থাকে না। কুরবানীর কবুলের প্রথম সত্য হচ্ছে ঈমান ঠিক থাকা। এ কারণে সাত জনে কুরবানী করলে অবশ্যই সাতজনের ঈমান ঠিক থাকতে হবে। এছাড়াও হালাল অর্থ দিয়ে কুরবানী করতে হবে। এবং মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যে কোরবানি করা যাবে না।

ছাগল কোরবানির নিয়ম । কোরবানির ভাগের নিয়ম

ছাগল কোরবানি নিয়ম সম্পর্কে অনেকেই জানতে চায়। পাগল করবার নিয়ম হচ্ছে একটি পরিবারের জন্য একটি ছাগল। ছাগল যৌথ হবে কুরবানী করা যাবে না। এবং কুরবানীর ছাগল অবশ্যই সবল ও ত্রুটিপূর্ণ হতে হবে।

কোরবানির গরু নিয়ম । কোরবানির ভাগের নিয়ম

যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে একা একটি গরু কোরবানি দেওয়া উত্তম। যদি সামর্থ্য না থাকে তাহলে সর্বোচ্চ সাতজনে মিলে গরু কোরবানি করতে পারেন। সাত জনের কম হলে সমস্যা নেই। তবে সাত জনের উপর হওয়া যাবে না। এবং কুরবানীর সময় সকলের মত একই হতে হবে।

উট কোরবানির নিয়ম । কোরবানির ভাগের নিয়ম

আমাদের দেশে উট পাওয়া যায় না। তবে যাদের অর্থ সম্পদ বেশি তারা উট কোরবানি দিয়ে থাকে। উট কোরবানির কিছু নিয়ম রয়েছে। যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে একা দিতে হবে। আর যদি সামর্থ্য না থাকে তাহলে সাতজনে মিলে উট কোরবানি করতে পারবেন। অবশ্যই সাতজনের কোরবানির উদ্দেশ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি।

কুরবানীর গোশত কিভাবে বন্টন করা হয় । কোরবানির ভাগের নিয়ম

কুরবানীর গোশত কিভাবে বন্টন করা হয় এই নিয়ে অনেকের মধ্যে মতবাদ রয়েছে। হাদিস উল্লেখ রয়েছে কোরবানির গোশত সমান তিন ভাগের ভাগ করতে হবে। এক ভাগ নিজের, এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনের এবং একভাগ গরিব দুঃখী ব্যক্তির। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে গোশত বন্টন করতে কোন ধরনের সমস্যা না হয়।

কুরবানী সম্পর্কে কুরআন কি বলে:

কোরবানির বিধান কুরআন শরীফের বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ রয়েছে। সূরা হজ্জ আয়াত ২৭-৩৭ কোরবানির কথা উল্লেখ রয়েছে। সূরা বাকারার আয়াত ১৯৬, সূরা মাইদ আয়াত ২, ৯৫ -৯৭ আয়াতে উল্লেখ রয়েছে কোরবানির কথা। এছাড়াও হাদিসের বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আতর কত প্রকার আতরের নামের তালিকা

কোরবানি সম্পন্ন আল্লাহর উদ্দেশ্যে। কোরবানী মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারে। এই কুরবানীর প্রচলন শুরু হয়েছে হযরত ইব্রাহিম (রা.) ও হযরত ইসমাইল (রা.) এর মাধ্যমে। কুরবানী প্রতিবছর একই সময় হয়ে থাকে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ থেকে 12 তারিখ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত।

কোরবানির মাংস ভাগের নিয়ম:

উপরে কোরবানির মাংস ভাগের নিয়ম সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। কোরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করতে হয়। এক ভাগ নিজের জন্য। একভাগ আত্মীয়-স্বজনের জন্য। এবং একভাগ গরিব অসহায় মানুষের জন্য। আমাদের উচিত যারা কোরবানি দিতে পারেনি তাদের বাসায় কোরবানির মাংস পুছিয়ে দেয়া।

কুরবানীর পরিবর্তে টাকা দান করা যাবে কি?

কুরবানীর একমাত্র উদ্দেশ্য আল্লাহর নৈকট্য বা সান্নিধ্য লাভ করা। কারণ কোরবানির পশু জবাই এর মধ্য দিয়ে আত্মত্যাগের পরিচয় দেওয়া হয়। কারণ এখানে আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা হয়। এই কারণে কেউ যদি মনে করে কোরবানি পরিবর্তে টাকা দান করলে কুরবানী হবে কিনা?
কুরবানীর পরিবর্তে টাকা দান করলে হবে না। কারণ, কিয়ামতের দিনে কোরবানির পশুর চামড়া, রক্ত, শিং আল্লাহর কাছে সাক্ষী দিবেন।  মহানবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন, ঈদুল আজহারের দিনে সর্বোচ্চ উত্তম কাজ রক্ত প্রবাহিত করা।এসব কারণে কুরবানী অবশ্যই দিতে হবে টাকা দান করে কোরবানি হবে না।

কুরবানী কত দিনে করা যায়:

কোরবানির একটি নির্দিষ্ট দিন রয়েছে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখ কুরবানীর সময়। তবে মাসের ১০ তারিখ থেকে ১২ তারিখ সূর্য অস্ত্রের আগ পর্যন্ত কোরবানি করতে পারবেন।

শেষ কথা: কোরবানির ভাগের নিয়ম কোরবানির নিয়ম কানুন

বর্তমান সময়ে মানুষ কুরবানী নিয়ে অনেক সমস্যায় থাকে। কারণ বিভিন্ন মানুষ কুরবানী দিয়ে বিভিন্ন মতামত দিয়ে থাকে। যার কারণে মানুষ দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে। তবে কোরবানির প্রথম শর্ত হচ্ছে ঈমান ঠিক থাকতে হবে। এবং কোরবানির অর্থ হালাল হতে হবে।
হালাল টাকা দিয়ে কোরবানি করলে অবশ্যই আল্লাহ কবুল করবেন। কোরবানির সবচেয়ে ভালো একা একা দেওয়া। তাহলে আর কোন ধরনের দ্বন্দ্ব থাকে না। লেখার মধ্যে ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন। সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
শেয়ার করুন

Similar Posts